Thursday 27 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ধর্ষণের শিকার শিশুটি চোখ খুলেছে: প্রেস উইং

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১০ মার্চ ২০২৫ ১৮:১১ | আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৫ ২০:২৯

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

ঢাকা: মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটি প্রথমবারের মতো চোখের পাতা নড়াচড়া করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন শিশুটির দু-একদিনের মধ্যে স্বাস্থ্যের আরও কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চিকিৎসকরা।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাফিজ উদ্দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকরা ডেপুটি প্রেস সচিবকে জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থার খুব সামান্য উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষায় ‘কমার লেবেল ৩ থেকে ৫ এ উন্নীত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সকালে শিশুটি চোখের পাতা নেড়েছে। শ্বাসরোধের অপচেষ্টার কারণে অক্সিজেন লেভেল কমে মস্তিষ্কে পানি জমেছে। যা এখনো অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। বুকের মধ্যে যে বাতাস জমে ছিল সেটি অপসারণ করা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরে ঘটনাটি ঘটে। বোনের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া আট বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করেন তার মা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের স্বামীর সহায়তায় তার বাবা (শ্বশুর) শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি মেয়ের শাশুড়ি ও ভাশুরও জানতেন। তারা ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে হত্যাচেষ্টা চালান বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার দিন অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল থেকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। শুক্রবার (৭ মার্চ) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে শনিবার (৮ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়।’

এ ঘটনায় মামলার সকল আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকাজ ও সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে নির্দেশনা দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

সারাবাংলা/ইউজে/এইচআই