Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ভুল বোঝাবুঝির অবসান, নতুন অতিথির অপেক্ষায় নোবেল-প্রিয়া দম্পতি

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
২৫ জুন ২০২৫ ১৭:৪৭

সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল—বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিন্তু বিতর্কিত এক নাম। একাধিক সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা এই তারকা এবার আলোচনায় এলেন নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফির মামলায় জামিন পাওয়া এবং কারামুক্তির পর স্ত্রীর সঙ্গে নতুনভাবে জীবন শুরু করার ঘোষণায়। তবে এবার আলোচনায় নেতিবাচকতা নয়, বরং ঘিরে রয়েছে পুনর্মিলনের উষ্ণতা, পারিবারিক মীমাংসার বার্তা, এবং একটি ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা।

ঢাকার ডেমরা থানায় দায়ের হওয়া নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নোবেল। এরপর ২৪ জুন আদালতে হাজির করে জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব এক হাজার টাকা মুচলেকায় নোবেলের জামিন মঞ্জুর করেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে সেই সময়ের দৃশ্য ছিল এক কথায় ‘পারে না সিনেমাকেও হার মানায়’। কাঠগড়ায় নোবেলের কাছে এগিয়ে যান তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া। একে অপরের চোখে তাকিয়ে হালকা হাসি, শান্ত কথা এবং পরিস্থিতির এক প্রাকৃতিক মীমাংসা যেন তখনই দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

আদালতে বিচারক প্রিয়াকে প্রশ্ন করেন- ‘জামিনে আপনার কোনো আপত্তি আছে?’ প্রিয়া জবাব দেন, ‘না’।

এরপর উভয়পক্ষের আইনজীবীরাও জানান, মামলাটি মূলত ভুল বোঝাবুঝির ফল। এখন সবকিছু সমাধান হয়ে গেছে।

আজ (২৫ জুন) সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ থেকে মুক্তি পান নোবেল। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারা ফটকে হাজির হন প্রিয়া। মুক্তিপ্রাপ্ত নোবেলকে দেখা যায় স্ত্রীর হাত ধরে রাখেন পুরো সময়জুড়ে। এরপর তারা একসঙ্গে মোটরসাইকেলে কারা চত্বরে কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়ান। যেন দীর্ঘ এক জটিলতার পর নতুন শুরু— ভরসা, ভালোবাসা, আর সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রতিচ্ছবি।

এই ‘অবিশ্বাস্য নাটকীয়তা’র পেছনে রয়েছে এক আশাব্যঞ্জক তথ্যও। নোবেল ও প্রিয়ার আইনজীবীরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘শিগগিরই তাদের সংসারে নতুন অতিথি আসতে চলেছে।’

এই ঘোষণার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে শুভকামনা জানাচ্ছেন নবদম্পতিকে।

নোবেলের অতীত নানা বিতর্ক থাকলেও এবার অনেকেই তার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন সূচনাকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন। কেউ বলছেন, ‘মানুষের ভুল হতেই পারে, কিন্তু ফেরার সুযোগটা তাকে দেওয়া উচিত।’

আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই ভুলগুলো শুধরে নেওয়াই শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হতে পারে।’

সারাবাংলা/এফএন/এএসজি