Sunday 16 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

প্রচণ্ড পিপাসায় ঘুম ভেঙে গেলে…


১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:৩০ | আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৭:৫৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

অনেক সময় দেখা যায় প্রচণ্ড পিপাসায় ঘুম ভেঙে যায়। পরে আর ঘুম আসতেই চায় না। বিশেষত গরমের সময় এটা বেশি হয়। ঘুমের আগে বড় এক মগ পানি খেয়ে ঘুমালেও অনেক সময় অতিরিক্ত গরমে পিপাসার্ত অবস্থায় ঘুম ভেঙে যেতে পারে। তাতে নিশ্ছিদ্র ঘুমের ব্যাঘাতে দেখা দিতে পারে অন্যান্য উপসর্গও।

কিন্তু কেন এভাবে ঘুম ভেঙে যায় তীব্র পিপাসা নিয়ে? এ থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়ই বা কী?

সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করা

ঘুমের মধ্যে তৃষ্ণার্ত বোধ করার অন্যতম কারণ হতে পারে সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করা। সারাদিন অন্তত আট গ্লাস বা দুই লিটার পানি পান করতে হবে। এর থেকে কম হলে আপনার শরীরে পানির চাহিদা পূরণ হয় না। তাই পানির পিপাসায় ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন

ক্যাফেইনের প্রভাবে

সারাদিন হয়তো দুই লিটার বা তার বেশিই পানি পান করেছেন তবুও তৃষ্ণায় ঘুম ভেঙে যায়। মনে রাখবেন, দুই লিটার বা আট গ্লাস পানিই পান করতে হবে। চা-কফি অথবা অন্য কোনো সফট ড্রিংকস দিয়ে পানির অভাব পূরণ হয় না।

কফির ক্যাফেইনের জন্য বার বার প্রস্রাব হয় অনেকসময়। তাই সারাদিনে অনেক কাপ কফি পান করেন যারা, তাদের ঘুমের মধ্যে পিপাসার্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ক্যাফেইন গ্রহণ ছাড়াও যাদের বার বার প্রস্রাব করার দরকার পড়ে, তাদের শরীরেও পানির চাহিদা বেশি থাকে।

লবণাক্ত বা মসলাদার খাবার

সারাদিন কী পান করলেন, তা-ই শুধু নয়, কী খেলেন— সেটাও তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে। যেমন— খুব লবণাক্ত, ঝাল বা মসলাদার খাবার খেলে রাতের বেলাও সেগুলোর হজম প্রক্রিয়া চলতে পারে। এতে অনেকসময় বুকে ব্যাথার অনুভূতি হতে পারে।

আবার অনেকসময় ফ্লু বা ডায়াবেটিসের কারণেও বুকে ব্যাথা হতে পারে। তবে, প্রায়ই যদি বুকে ব্যাথার কারণে ঘুম ভেঙে যায় তাহলে, দ্রুত একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

সমাধান

  • প্রচণ্ড পিপাসায় ঘুম ভেঙে গেলে সারাদিন আট গ্লাস বা দুই লিটার বা তার বেশি পানি পান করুন।
  • সারাদিন চা বা কফি পান করা কমিয়ে আনুন। প্রয়োজনে ক্যাফেইন ফ্রি কফি পান করুন।
  • রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেই বিছানার কাছাকাছি বড় এক গ্লাস পানি রাখুন। বিছানার কাছেই পানি থাকলে ঘুম ভেঙে হেঁটে ডাইনিং টেবিল বা রান্নাঘর পর্যন্ত যাওয়া লাগবে না। দ্রুত পানি খেয়েই আবার ঘুমিয়ে পড়তে পারবেন।