Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাজবাড়ীর পথে-প্রান্তরে দৃষ্টিনন্দন কৃষ্ণচূড়া

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৮ মে ২০২৬ ১২:০১ | আপডেট: ৮ মে ২০২৬ ১৩:৫৪

রাজবাড়ী: বৈশাখের আকাশে গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন জানান দেয় তার সৌন্দর্যের বার্তা। গ্রীষ্মের এই নিষ্প্রাণ রুক্ষতা ছাপিয়ে প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়া নিজেকে মেলে ধরে আপন মহিমায়।

রাজবাড়ীর পথে-প্রান্তরে, বিভিন্ন দফতরের আঙিনায় লাল রঙের কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রীষ্মের ছোঁয়া লাগার পর অপরূপ সাজে প্রকৃতিকে সাজিয়েছে এই কৃষ্ণচূড়া। কৃষ্ণচূড়া পথচারীদের দৃষ্টি কেড়েছে। ফুলের রক্তিম আভা ছড়ানোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুরেছে অপরূপ সাজে। রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য যেন হার মানায় ঋতুরাজ বসন্তকেও। এই কৃষ্ণচূড়াই গ্রীষ্মকে দেয় অন্য এক মাত্রা যা দেখলে যে কারো মন জুড়িয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

রাজবাড়ীতে এক সময় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ দেখা যেত। সময়ের বিবর্তনে কৃষ্ণচূড়া গাছ অনেক কমে গেছে। তবে শহরের পাবলিক হেলথ মোড়, সদর হাসপাতাল, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, গোদার বাজার, পদ্মার পাড়, গোদার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, রেলস্টেশনের ফুলতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়া শোভা পাচ্ছে।

মীর সৌরভ জানান, একসময় দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে সারি সারি কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখা যেত। সময়ের বিবর্তনে ওই গাছ কমে গেছে। এই গাছ যেমন ছায়া দেয়, তেমনি এর ফুল মানুষকে আকৃষ্ট করে। এই ফুলের ওপর পাখি এসে বসে। কিচিরমিচির করে। আর বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানো উচিত।

অনন্ত নামের একজন জানান, সবুজ চিকন পাতার ফাঁকে ফাঁকে লাল লাল কৃষ্ণচূড়া ফুল, দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল এবং উজ্জ্বল সবুজ পাতা এক অন্যরকম দৃষ্টিনন্দন শোভা পায়। পদ্মার কূলে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ আছে। সেখানে এখন দর্শনার্থীদের নতুন আকর্ষণ। এখানে এসে সবাই স্মৃতি ধরে রাখতে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

প্রকৃতিতে এখন মনোমুগ্ধকর রং ছড়িয়ে দিয়েছে কৃষ্ণচূড়া। এক সময় প্রচুর পরিমাণে কৃষ্ণচূড়া দেখা যেত এখানে। গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলত। কালক্রমে জেলায় আবাসন ব্যবস্থার কারণে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। যে কারণে কৃষ্ণচূড়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় আরও বেশি কৃষ্ণচূড়া রোপণ করতে হবে।

রাজবাড়ী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কুমারেশ বিশ্বাস জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে কৃষ্ণচূড়া গাছ ইতোমধ্যেই সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। রাস্তার ডিভাইডারে বিভিন্ন স্থানে সোনালু, জারুলসহ বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পুরো সড়ককে নান্দনিক করে তোলা হবে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তারা যেন বৃক্ষরোপণে বিভিন্ন গাছের সঙ্গে এই গাছগুলো রোপণ করে।

সারাবাংলা/এএ
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর