Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সরকারি ওষুধ কালোবাজারির জন্য ১৪ বছরের কারাদণ্ড

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২০ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৪৬ | আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৩০

চট্টগ্রাম ব্যুরো: রাষ্ট্রীয় কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ অবৈধ পথে বের করে খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই রায়ে আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ বেগম সিরাজাম মুনীরা এ রায় দিয়েছেন।

দণ্ডিত আবদুল নূর চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার দামপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার অনুপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ।

বিজ্ঞাপন

মামলার নথি পর্যালোচনায় জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৫ মার্চ নগরীর কোতোয়ালী থানার কেসি দে রোডে সিনেমা প্যালেসের সামনে তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মাসুদ ইবনে আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আবদুল নূরকে গ্রেফতার করে। তার কাছে থাকা একটি বাজারের ব্যাগে তল্লাশি করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) উৎপাদিত ছয় ধরনের প্রায় ২ হাজার পিস ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

ইডিসিএল-এ উৎপাদিত ওষুধ শুধুমাত্র সরকারি হাসপাতালের রোগীদের বিনামূল্যে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ন্যায্যমূল্যে সরবরাহের জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু আবদুল নূরসহ একটি চক্র অবৈধ পথে সেসব ওষুধ বের করে খোলাবাজারে বিক্রি করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন।

গ্রেফতার আবদুল নূরের বিরুদ্ধে এসআই কাজী মাসুদ ইবনে আনোয়ার মামলা করেন। মামলা তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেন কোতোয়ালী থানার এসআই নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ সারাবাংলাকে জানান, ২০১৪ সালের ১১ মার্চ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। চারজনের সাক্ষ্যে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় তাকে সাজা দিয়েছেন আদালত।

আবদুল নূর ওই মামলায় জামিন নিয়ে পরবর্তীতে পলাতক হয়ে যান। রায়ের পর তার বিরুদ্ধে সাজামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সারাবাংলা/আরডি/এমপি