Saturday 04 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

২২ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্বাক্ষর

সারাবাংলা ডেস্ক
৪ জুলাই ২০২৬ ১৮:৩৮ | আপডেট: ৪ জুলাই ২০২৬ ১৮:৩৯

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্বাক্ষর

উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এশিয়া ও আফ্রিকার ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার ইন্দোনেশিয়া কনভেনশন সেন্টারে ২২–২৫ জুন অনুষ্ঠিত ৫ম গ্লোবাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কংগ্রেস (GSDC) ২০২৬-এ এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

টাইমস হায়ার এডুকেশন আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

উত্তরা ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য আবিদ আজিজ এবং ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং সেলের পরিচালক শেখ ইয়াসা শান। ৪ দিনব্যাপী সম্মেলনে তারা বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, কৌশলগত সম্পর্ক তৈরি এবং একাডেমিক আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা করেন।

এই বিশাল উদ্যোগের বড় অংশজুড়েই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির শীর্ষস্থানীয় ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তি করেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি। এছাড়া ফিলিপাইনের ৬টি ও দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা সাক্ষর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

নতুন স্বাক্ষরিত এসব সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি, যৌথ গবেষণা, সহ-লিখিত গবেষণা প্রকাশনা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রাম, দ্বৈত ডিগ্রী অর্জনের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার ও কর্মশালা যৌথভাবে আয়োজনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অর্জন উত্তরা ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আর কেবল একটি বিকল্প নয়, বরং সময়ের অপরিহার্য প্রয়োজন। এসব অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চা ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান আরও শক্তিশালী করবে।