Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

স্কুল ব্যাংকিং নয়, এখন থে‌কে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:১০

ঢাকা: আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ ব্যবস্থার পরিবর্তে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং’ নামে নতুন ও পরিমার্জিত গাইডলাইন্স প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সময়োপযোগী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই নতুন গাইডলাইন্স অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি)বাংলা‌দেশ ব্যাং‌ক থে‌কে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা‌নো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের আওতায় ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে জিবিসিএসআরডি সার্কুলার নং-০৭/২০১৩-এর মাধ্যমে স্কুল ব্যাংকিং নীতিমালা চালু করা হয়েছিল। ওই নীতিমালার আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় মুনাফা, কোনো সার্ভিস চার্জ না নেওয়া, এটিএম ও ডেবিট কার্ড সুবিধা, শিক্ষা বিমার প্রিমিয়াম গ্রহণ এবং স্কুলভিত্তিক আর্থিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ফলে দেশব্যাপী স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম ব্যাপক প্রসার লাভ করে।

বিজ্ঞাপন

তবে সময়ের পরিবর্তন, ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের বিস্তার এবং নতুন শতাব্দীর চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘স্কুল ব্যাংকিং’ ধারণাকে আরও বিস্তৃত ও আধুনিক রূপ দিয়ে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং’ নামে পুনঃঅভিহিত করেছে। নতুন গাইডলাইন্সের মাধ্যমে একটি পরিপূর্ণ, সমসাময়িক ও প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় অভ্যস্ত করে তুলতে ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন প্রণোদনামূলক উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ছাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, এই গাইডলাইন্স বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে এবং সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন তরুণ সমাজ গড়ে উঠবে।

এদিকে, নতুন সার্কুলার জারির ফলে স্কুল ব্যাংকিং সংক্রান্ত ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জারি করা একাধিক সার্কুলার ও সার্কুলার লেটার রহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে

জিবিসিএসআরডি সার্কুলার লেটার নং-০১/২০১৩

জিবিসিএসআরডি সার্কুলার নং-০৭/২০১৩

এফআইডি সার্কুলার ও সার্কুলার লেটার (২০১৫, ২০১৮ ও ২০২১ সালে জারিকৃত)

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য সকল প্রযোজ্য নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএ/এএ
বিজ্ঞাপন

আরো