ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির হেড অফিস কমপ্লেক্স করপোরেট শাখার উদ্যোগে এক ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে জহির হোসেন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হলেন এর আমানতকারীরা। তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ইনশাআল্লাহ ইসলামী ব্যাংকও সগৌরবে টিকে থাকবে। এটি কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের ব্যাংক হবে না, এটি হবে সর্বসাধারণের ব্যাংক।’
গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের পরিমাণ মাত্র ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, অথচ গ্রাহকদের আমানত প্রায় পৌনে ২ লক্ষ কোটি টাকা। শেয়ারের এই অনুপাত মোট আমানতের এক নগণ্য অংশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের দক্ষ ম্যানেজমেন্ট, যারা ৩০-৩৫ বছর ধরে কাজ করছেন, তাদের ওপর পূর্ণ আস্থা ও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের কাজ শুধু পলিসি দেওয়া, ব্যাংক পরিচালনা করবেন প্রফেশনালরা।’
গ্রাহক ও আমানতকারীদের ব্যাংকের পাশে থাকার এবং আমানত বৃদ্ধিতে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই।’
অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে ব্যাংকটি তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে এনে স্বল্প সময়ের মধ্যেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অফিস কমপ্লেক্স করপোরেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল লতিফ।
গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মোহাদ্দিস ড. মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর ডাইরেক্টর মো. মামুন উর রশিদ, এফসিএম, আকিজ গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর গোলাম মুরশিদ বাপ্পি, আল-মুসলিম গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল হোসাইন অপু।
এসময় ব্যাংকের নির্বাহী-কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।