Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা সৌদির

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০৪ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫২

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। পাশাপাশি আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট শহর বা এলাকা থেকে আংশিকভাবে আমদানির ওপর বিধিনিষেধ জারি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও রোগতাত্ত্বিক (এপিডেমিওলজিক্যাল) হালনাগাদের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ও সীমিত দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, কিছু নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকেই কার্যকর রয়েছে, আবার কিছু নিষেধাজ্ঞা ঝুঁকি মূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ করে উচ্চমাত্রার এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব এসব সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটি। সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিসর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, কোট দিভোয়ার ও মন্টেনিগ্রো।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইনস, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে নির্দিষ্ট রাজ্য বা শহরের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি স্পষ্ট করেছে, অনুমোদিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মান পূরণ করলে তাপপ্রক্রিয়াজাত (হিট-ট্রিটেড) মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। এসব পণ্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারি সনদ থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে এবং পণ্যগুলো রপ্তানিকারক দেশের অনুমোদিত স্থাপনা থেকেই এসেছে।

সারাবাংলা/একে/ইআ