Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের বড় অংশ শেষ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০১ | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩৬

মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে। ছবি: এপি

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা সামরিক সরঞ্জামের একটি বড় অংশ শেষ হয়ে গেছে।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বৃহষ্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মিডল ইস্ট আই এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন এশিয়া ও ইউরোপীয় কমান্ড থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিরক্ষা দফতরের সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ মজুত মূল্যায়ন সম্পর্কে জানেন এমন তিনজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একইসঙ্গে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনো সংঘাত দেখা দিলে আমেরিকার গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাওয়ার একটি “নিকট-ভবিষ্যৎ ঝুঁকি” তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যদিও হোয়াইট হাউস এ পর্যন্ত যুদ্ধের সঠিক ব্যয় নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব দেয়নি, তবে দুটি স্বতন্ত্র সংস্থা জানিয়েছে যে, ইরান যুদ্ধের পেছনে প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের পরিমাণ ২৮ বিলিয়ন (২ হাজার ৮০০ কোটি) থেকে ৩৫ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রগুলোর মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, তার মধ্যে রয়েছে প্রিসিশন-স্ট্রাইক মিসাইল (নির্ভুল নিশানায় আঘাতকারী ক্ষেপণাস্ত্র), এটিএসিএমএস ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল।

সিএসআইএস এর বিশেষজ্ঞ এবং সূত্রগুলো জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুতে পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সম্প্রসারণে সহায়ক একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি সত্ত্বেও এই ব্যবস্থাগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য সরবরাহের সময়সীমা তিন থেকে পাঁচ বছর।

সারাবাংলা/এএ
বিজ্ঞাপন

আজও ঢাকার বাতাস মাঝারি
১৭ আগস্ট ২০২৬ ১৩:১৫

আরো

সম্পর্কিত খবর