Wednesday 12 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ আগস্ট ২০২৬ ১১:২৭ | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ ১২:০৯

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গেটি ইমেজেস।

ইরানের সঙ্গে সবকিছু ‘ভালোভাবেই এগোচ্ছে’ জানিয়ে হরমুজ প্রণালির ওপর মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (১২ আগস্ট) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের প্রিন্স জর্জেস কাউন্টির সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে সবকিছু ভালোভাবেই চলছে, একেবারে দারুণভাবে চলছে। হরমুজ প্রণালির ওপর আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে; অন্য কারও হাতে নয়, শুধু আমাদের। আমাদের নৌবাহিনী অবিশ্বাস্য রকমের শক্তিশালী, আর আমাদের দেশের জন্য সবকিছুই খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি ইরানকে বিশ্বাস করি না। ইরানকে বিশ্বাস করবে, এমন সর্বশেষ ব্যক্তি হব আমি। তারা আমাকে বারবার মিথ্যা বলেছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির ওপর আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে; তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা করলে প্রতিশোধ নিতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।

মাঝে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে দুই দেশ আবার পালটাপালটি হামলা শুরু করলে তেহরান পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-উভয় দেশই হরমুজ প্রণালি ঘিরে সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার আগে ইরান মার্কিন যুদ্ধ ও অবরোধের সম্পূর্ণ অবসান, জব্দকরা সম্পদ ফেরত এবং একটি আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, সব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি বন্ধ থাকবে।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন এক সূত্র। হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথটি আবার উন্মুক্ত হতে পারে এবং প্রায় পাঁচ মাস ধরে চলা এ অস্থিরতার অবসান ঘটতে পারে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর