Thursday 13 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

মাদরাসার বাথরুমে শিক্ষার্থীর মরদেহ: শিক্ষকের ৩ দিনের রিমান্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৪৮ | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫৭

চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে শিক্ষার্থী মো. নাঈম শেখের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার দুই শিক্ষকের একজনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে নেওয়া শিক্ষকের নাম হাফেজ মো. জাকারিয়া (৩৫)। অপর আসামি হাফেজ মো. জোবায়ের আহম্মেদ (২০) নিজেকে শিশু দাবি করায় তার রিমান্ড আবেদন শুনানি হয়নি। এ বিষয়ে আগামী ১৮ আগস্ট শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আব্দুস ছবুর।

বিজ্ঞাপন

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ আগস্ট দুপুরে মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি বাথরুম থেকে শিক্ষার্থী নাঈম শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার মা নাজমা বেগম দুই শিক্ষককে আসামি করে কদমতলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা হওয়ার পর একই দিন রাত ১০টার দিকে পুলিশ মাদরাসা থেকে দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করে। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক আমজাদ হোসেন দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তাদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

শুনানিতে বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ খান রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অপরদিকে জাকারিয়ার আইনজীবী ইমদাদুল আলম রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান। জোবায়েরের আইনজীবী তাকে শিশু হিসেবে দাবি করায় তার রিমান্ড আবেদন বিষয়ে সেদিন শুনানি হয়নি। পরে আদালত জাকারিয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষক নাঈমকে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন করতেন। নাঈম বিষয়টি তার মাকে জানালে তিনি ছেলেকে মাদরাসা থেকে নিয়ে যেতে চাইলেও অভিযুক্তরা ছাড়পত্র দেননি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, নাঈম মাদরাসায় থাকতে অনীহা প্রকাশ করলে তার ওপর নির্যাতন আরও বেড়ে যায়। ঘটনার দিনও সে আর মাদরাসায় পড়বে না বলে জানালে তাকে মারধরের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর