Thursday 30 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শুধু চিকিৎসানির্ভর না রেখে প্রতিরোধকেন্দ্রিক করতে হবে’

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
৩০ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪০ | আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪৬

ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, আমাদের দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শুধু চিকিৎসানির্ভর না রেখে প্রতিরোধকেন্দ্রিক করতে হবে। সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে পুষ্টিবিদদের অবস্থান শক্ত করা এবং মূল চিকিৎসায় তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীতে ‘উন্নত রোগী সেবা নিশ্চিত করতে ক্লিনিক্যাল পথ্যবিদ্যার অগ্রগতি’ শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সংগঠনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানান হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংলাপে দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষা খাতের নীতিনির্ধারক, চিকিৎসক, পথ্যবিদ, শিক্ষাবিদ ও গবেষকেরা অংশ নেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের মান ও সংখ্যা দুটোই বাড়াতে হবে।

সংলাপে বক্তারা, দেশের জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়ন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং প্রমাণভিত্তিক পুষ্টিসেবা নিশ্চিত করতে পুষ্টি ও পথ্যবিদদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেছেন, সঠিক চিকিৎসাসেবা ও রোগীর দ্রুত সুস্থতার জন্য পথ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এখন সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর পুষ্টিবিদদের গবেষণায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং বিএমআরসির পক্ষ থেকে তাঁদের স্বাগত জানান।

গবেষণালব্ধ ফলাফলকে জনগণের কল্যাণে উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজে লাগানোর ওপরও জোর দেন তিনি। একদম মাঠপর্যায়ে পথ্যবিদদের কাজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই পেশার নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কারিকুলাম পরিমার্জনের তাগিদ দেন তিনি। ভবিষ্যতে ডায়েটিশিয়ানদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রেগুলেটরি সিস্টেম চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারডেম হাসপাতালের চিফ নিউট্রিশনিস্ট শামসুন্নাহার মহুয়া। তিনি বলেন, অপুষ্টি, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ ও ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বৈজ্ঞানিক পুষ্টিসেবার ভূমিকা বাড়ছে। এজন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, পেশাগত সক্ষমতা ও গবেষণার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।

সংলাপের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশের সদস্য সাইদ মো. বাকী বিল্লাহ টুটুল এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডায়েটিশিয়ান তামান্না চৌধুরী।

কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের চিফ ডায়েটিশিয়ান চৌধুরী তাসনিম হাসিনের সমাপনী বক্তব্য দেন।

আলোচনায় হেলথ সেক্টর রিফর্ম কমিটির সদস্য ও গবেষক ডা. লিয়াকত আলী পেশাদার ডায়েটিশিয়ানদের জন্য সরকারি রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সিং বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালসের সিইও সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে পথ্য তৈরির পথ প্রশস্ত করার আহ্বান জানান।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর