Sunday 02 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আগস্টেই খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
২ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৩৪ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৬

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

ঢাকা: আগস্টের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও পুরোপুরি উন্মুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আশাবাদের কথা জানান।

শামা ওবায়েদ বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে আমাদের সফল ও ফলপ্রসূ আলোচনার ফলস্বরূপ চলতি আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সেদেশের শ্রমবাজার আবারও পুরোদমে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত সুখবর।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সরকার নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে বৈশ্বিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে অনিয়মিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের কারণে অনেক কর্মী দালালচক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হচ্ছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের পরিবারও। এ কারণে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে অটোমেশন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ কর্মীদের চাহিদা আরও বাড়বে। সেই চাহিদা পূরণে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

প্রবাসীদের সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কনস্যুলার সেবা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি অভিবাসন খাতের সমন্বয় এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড এনআরবি অ্যাফেয়ার্স উইং’ চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫ বছরের জন্য প্রণীত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর