ঢাকা: বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করতে জাপানের নিবিড় সহায়তা ও বিনিয়োগ চায় সরকার।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।
সাক্ষাৎকালে নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জাপান সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল যথাসময়ে চালু করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এর অর্কেস্ট্রেশন ও এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার কার্যক্রম দ্রুত শুরুর লক্ষ্যে জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের জমা দেওয়া প্রস্তাবের টেকনো-ফিন্যান্সিয়াল মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক নেগোসিয়েশন শুরু হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে যা উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। তা ছাড়া বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করতে চায় সরকার। জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সরকার কাজ করছে।’
সরকার দেশে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে উল্লেখ করে জাপানি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। রাষ্ট্রদূতও বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।