Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সিল মারা ব্যালটের ছবিতে ফেসবুক সয়লাব

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৬

ফেসবুকে পাওয়া সিল মারা ব্যালটের ছবি।

নীলফামারী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটগ্রহণ চলাকালীন ও ভোট শেষ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সিল মারা ব্যালট পেপারের অসংখ্য ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, গোপনীয়তা এবং আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ভোটের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল ও পেইজে ভোটারদের সিল দেওয়া ব্যালট পেপারের ছবি পোস্ট করতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে সিল দেওয়ার পর সেই ব্যালটের ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। কিছু পোস্টে রাজনৈতিক সমর্থনের বক্তব্যও যুক্ত ছিল, যা নির্বাচনি নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যালট পেপারের ছবিও ঘুরতে দেখা গেছে। এসব ছবি ঘিরে ভোট জালিয়াতি, ব্যালট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম কিংবা ভোটকেন্দ্রে নজরদারির ঘাটতি আছে কি না তা নিয়ে অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

নির্বাচনি আইন ও আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। অধিকাংশ দেশেই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, বিশেষ করে ব্যালট পেপারের ছবি তোলা বা প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই। সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন এবং গোপন কক্ষে সিল মারা ব্যালটের ছবি তুললেন।

এ বিষয়ে নীলফামারী-১ আসনের ৬৬ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আবু রায়হান সোহেল বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে কোনোভাবেই কোনো ব্যক্তি মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। আমরা সে বিষয়ে সজাগ আছি। এখন আমরা তো তল্লাশি করতে পারি না। আমরা সুষ্ঠু ভোট নেব, নাকি তল্লাশি করবো? এসবের মধ্যেও কীভাবে মানুষ ছবি তুলছে আমরা বুঝতে পারছি না।’

সারাবাংলা/এআর