Thursday 06 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাকসুর ৯ মাসে অর্জনের চেয়ে বেশি অপূর্ণতার প্রশ্ন

নাসিমুল মুহিত ইফাত, রাবি করেসপন্ডেন্ট
৬ আগস্ট ২০২৬ ১০:২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু)। ফাইল ছবি

রাজশাহী: ৩৬ বছরের অচলায়তন ভেঙে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন (রাকসু) নির্বাচন ফিরেছিল নতুন স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে। শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস ছিল, নির্বাচিত ছাত্রনেতারা কেবল দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন না; বরং, ক্যাম্পাসের একাডেমিক পরিবেশ, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এবং শিক্ষার্থীসেবার মানোন্নয়নেও রাখবেন কার্যকর ভূমিকা।

কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের নয় মাস পর প্রশ্ন উঠেছে, রাকসু কতটা সফল? নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে? শিক্ষার্থীরা কি তাদের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, দলীয় বা লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, বাস্তবে রাকসু কি তা ধরে রাখতে পেরেছে?

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্যানেলের ইশতেহারে আবাসন সংকট নিরসন, পরিবহণ ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশন, গবেষণা সহায়তা বৃদ্ধি, হলের খাবারের মানোন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিকাশ এবং শিক্ষার্থী কল্যাণসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন পর নির্বাচিত ছাত্রসংসদকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি।

প্রত্যাশার পর বাস্তবতার পরীক্ষা

গত বছরের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পায় ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’। তাদের প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘৭টি হ্যাঁ, ৭টি না’ এবং ‘১২ মাসে ২৪ সংস্কার’। অন্যদিকে, স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত বর্তমান সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের ইশতেহারে পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা, হল ডাইনিংয়ের মানোন্নয়ন, আধুনিক মেডিকেল সেন্টার, প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশন এবং পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল। নির্বাচনের পর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল, এসব প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাকসু একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ছাত্রসংসদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

দৃশ্যমান অগ্রগতি কতটা?

দায়িত্ব গ্রহণের আট মাসে রাকসুর বেশ কিছু উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নজরে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বিভিন্ন হলের রিডিং রুমে এসি স্থাপন, বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন, ক্যাম্পাসে ফার্মেসি চালু, নারী উদ্যোক্তা মেলা, থিসিস প্রণোদনা, বিদেশি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে সেমিনার এবং এআই, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ফ্যাক্ট-চেকিং, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস ও রিসার্চ মেথডোলজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন। পাশাপাশি বিনামূল্যে আইইএলটিএস প্রস্তুতি, খেলাধুলার আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভেন্যুর ফি কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এসব উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মতে, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া বড় প্রতিশ্রুতিগুলোর তুলনায় এগুলো এখনো সীমিত অর্জন।

যেসব প্রতিশ্রুতি এখনও অপূর্ণ

রাকসুর সবচেয়ে আলোচিত প্রতিশ্রুতিগুলোর অনেকগুলোই এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল- আবাসন সংকটের সমাধান অথবা অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতা চালু করা। এ ছাড়া বাসের ট্রিপ ও রুট ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার, অন-ক্যাম্পাস জব এবং পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি বাস্তবায়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।

নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, নারী শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষা, অপরাধ দমন, মেস নীতিমালা প্রণয়ন, গ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন, গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রশিক্ষক নিয়োগ, হলগুলোর ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান এবং প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশনের মতো প্রতিশ্রুতিগুলোর বেশির ভাগই এখনো আংশিক বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও হতাশার মিশ্র চিত্র

রাকসুর নয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশের মতে, নির্বাচনের সময় যেভাবে উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তব অগ্রগতির সঙ্গে তার বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম সারাবাংলাকে বলেন, ‘৩৬ বছর পর রাকসু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনেক ছিল। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও পরিবহণ, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা হলের খাবারের মানে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। শিক্ষার্থী হিসেবে মনে হয়, ইশতেহারের অনেক প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়িত হয়নি।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার ইমরান সারাবাংলাকে বলেন, ‘রাকসুর কার্যক্রম দেখে মনে হয়েছে, তারা শিক্ষার্থীদের ইশতেহারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নেই বেশি মনোযোগী। প্রায় নয় মাস হয়ে গেলেও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তবায়িত হয়নি।’

তবে আরেকটি অংশের শিক্ষার্থীদের মতে, দীর্ঘদিন পর ছাত্রসংসদ ফের কার্যক্রম শুরু করায় প্রশাসনিক জটিলতা, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং নীতিগত অনুমোদনের কারণে সব প্রতিশ্রুতি অল্প সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি থেকে কতটা দূরে?

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্যানেলই ক্যাম্পাসে লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির বাইরে থেকে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত জিএস সালাউদ্দিন আম্মারও একই অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে, গত নয় মাসে বিভিন্ন ইস্যুতে রাকসুর অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

একাংশের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইস্যুতে ছাত্রসংসদের অবস্থান দলীয় প্রভাবমুক্ত বলে মনে হয়নি। প্রশাসনের কিছু সিদ্ধান্তেও তারা প্রত্যাশিত দৃঢ়তা দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীর মতে, ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে ভিপি, এজিএসসহ অধিকাংশ প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় তাদের কিছু কার্যক্রমে দলীয় অগ্রাধিকারের প্রতিফলন দেখা গেছে।

অন্যদিকে রাকসু নেতাদের দাবি, তারা দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই কাজ করছেন। বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নিতে হয়েছ।

প্রশাসনিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাও বড় চ্যালেঞ্জ

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের অনেক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য বড় অঙ্কের বাজেট, সিন্ডিকেটের অনুমোদন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। ফলে এসব প্রতিশ্রুতির অনেকগুলো এককভাবে রাকসুর পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ছাত্রসংসদ অকার্যকর থাকায় বাস্তবতার তুলনায় কিছু নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী। ফলে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার সারাবাংলাকে বলেন, ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে অনেক কাজ নির্ধারিত সময়ে করা সম্ভব হচ্ছে না। আগের উপাচার্যের সময়ে অনেক বিষয় গুছিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো নিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হয়েছে।’

ইশতেহার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম, সেগুলোই ইশতেহারে তুলে ধরেছি। আমি কোনো অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অঙ্গ ও দফতর যদি সমন্বিতভাবে কাজ করত, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাকসু হওয়ায় শুরুতে অনেক কিছু বুঝে উঠতে সময় লেগেছে। কোন দফতর কীভাবে পরিচালিত হবে, সেটি বুঝতেও কিছুটা অসুবিধা হয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে রাকসুকে কার্যকর করা। সেই জায়গায় আমরা সফল হয়েছি। এখন প্রতিবছর রাকসু নির্বাচন হলে সবকিছু আরও সুন্দর ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে।’

এ বিষয়ে জানতে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে সম্ভব হয়নি। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালে তিনি উত্তর দেন ‘কাজে আছি’। পরদিন আবার নক করা হলে তিনি বলেন, ‘ভাই এইযে এতগুলো প্রশ্ন দিছেন- আমি কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট মিটিংয়ে আছি। এখন এতগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন।’

জানতে চাইলে শিবির-সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট থেকে নির্বাচিত রাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এস এম সালমান সাব্বির সারাবাংলাকে বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচন হওয়ায় শুরুতে কীভাবে কাজ করতে হবে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কী, হিসাব-নিকাশ কীভাবে পরিচালনা করতে হয়, এসব বুঝে উঠতেই প্রায় চার মাস সময় লেগেছে। এরপরও প্রশাসনিক কাজগুলো এগিয়ে নিতে একই দফতরে বারবার যেতে হচ্ছে। পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও আমরা পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা পাচ্ছি না।’

তিনি বলেন, ‘বাজেট ও স্পন্সরশিপ ব্যবস্থাপনায় জটিলতার কারণে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভাতা, পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি, মেডিকেল সেবার সংস্কার এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ আবাসিক করার রোডম্যাপের মতো বড় উদ্যোগগুলো এখনো শুরু করতে পারিনি।’

নিজেদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে সালমান সাব্বির বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারের প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে অথবা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মেয়াদের যে সময় বাকি আছে, তাতে বাকি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ শেষ করতে না পারলেও অন্তত শুরু করে যেতে পারব বলে আশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১২ মাসে ২৪টি সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তবে প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কয়েকটি প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। শেষ পর্যন্ত কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারব, সেটি সময়ই বলে দেবে।’

চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নারী উদ্যোক্তা মেলা, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ফার্মেসি স্থাপন, থিসিস প্রণোদনা, বিদেশি শিক্ষকদের নিয়ে সেমিনার, বিনামূল্যে আইইএলটিএস প্রস্তুতি, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ফ্যাক্ট-চেকিং, ওয়ার্ডপ্রেস ও রিসার্চ মেথডোলজি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে এসি স্থাপন, বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভেন্যুর ফি কমানোর উদ্যোগ নিয়ে আমরা কাজ করেছি।’

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ডাকসু ছাড়া দেশের অন্য ছাত্রসংসদগুলোর অবস্থাও প্রায় একইরকম। ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন হওয়ায় তারা একটি ধারাবাহিকতার মধ্যে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন অচল থাকার কারণে অন্য ছাত্রসংসদগুলোকে শুরুতে অনেক কিছুই নতুন করে বুঝে নিতে হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের সমালোচনাকে আমরা যৌক্তিকভাবেই দেখি এবং সেসব বিবেচনায় নিয়েই সামনে এগোতে চাই বলে মন্তব্য করেন রাকসু এজিএস।

সারাবাংলা/এনএমই/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর