Sunday 06 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আচরণবিধি ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনের খসড়া নীতিমালার নীতিগত অনুমোদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ মে ২০২৫ ১৬:০৭ | আপডেট: ২১ মে ২০২৫ ১৬:৫৪

নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ।

ঢাকা: নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

‎বুধবার (২১ মে) নির্বাচন ভবনে কমিশনের পঞ্চম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে এমন সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ।

‎নির্বাচন কমিশনার বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ও ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা বৈঠক করেছি। দুটি বিশদভাবে আলোচনা হয়েছে। খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি এ নিয়ে কাজ করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করবে। তবে সংস্কার এই উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে। অপরাপর সংশোধনীর বিষয় আছে। ততোদিন পর্যন্ত হয়ত আমাদের অপেক্ষা করা লাগতে পারে এই জিনিসগুলোর চূড়ান্ত করার জন্য। আচরণ বিধিমালার সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রম জড়িত। সেটা হলেই এটিও চূড়ান্ত করা হবে।

‎প্রচার ইসির তত্ত্বাবধানে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটাও অনুমোদন হয়েছে। নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। চূড়ান্ত করতে আরেকটু সময় লাগবে।

‎ইসি কর্মকর্তারা জানান, ‘ভোটকেন্দ্র স্থাপন, স্থান পরিবর্তন ও পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫’ শীর্ষক এই খসড়া বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত হলে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তৈরি করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, যা যাবে বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে অনুমোদনের জন্য। পূর্বের নীতিমালার মতো আর কোনো জেলা কমিটি বা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই। ফলে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়াটি এককভাবে পরিচালিত হবে ইসির নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে।

বিজ্ঞাপন

২০০৮ সালের পর থেকে নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের ক্ষেত্রে ডিসি ও এসপিদের সমন্বয়ে একটি জেলা কমিটি গঠন করে। এ কমিটির মাধ্যমেই ভোটকেন্দ্র স্থান নির্ধারণ ও পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো। তবে এই কমিটিগুলোর নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। নতুন নীতিমালায় সেই কাঠামো বাতিল করা হচ্ছে।

সারাবাংলা/এনএল/ইআ