Wednesday 16 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

তথ্য গোপন করে জুলাই অভ্যুত্থানের সুবিধা নিলে ২ বছরের কারাদণ্ড

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৮ জুন ২০২৫ ১৬:০৪ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৫ ১৮:১০

জুলাই গণঅভ্যুত্থান। ছবি কোলাজ: সারাবাংলা

ঢাকা: তথ্য গোপন করে জুলাই অভ্যুত্থানের সুবিধা নিলে দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। একইসঙ্গে দুই লাখ টাকা জরিমানা বা আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্ধদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে সরকার।

অধ্যাদেশে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও তথ্য গোপন করে বিভ্রান্তিকর কাগজপত্র দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্য বা আহত জুলাই যোদ্ধা দাবি করে সুবিধা গ্রহণ করেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্যে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা বা আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, কার্যাবলী, কর্মচারী ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠায় বিস্তারিত এখানে উল্লেখ রয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে অপরাধ ও বিচার বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
এখানে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি ‘শহিদ’ পরিবারের সদস্য বা কোনো আহত না হওয়া সত্ত্বেও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বা জ্ঞাতসারে মিথ্যা, বিকৃত তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন ও বিভ্রান্তিকর কাগজ দাখিল করে নিজেকে ‘শহিদ’ পরিবারের সদস্য বা আহত দাবি করে চিকিৎসা, আর্থিক, পুনর্বাসন সুবিধা দাবি অথবা গ্রহণ করেন তাহলে তিনি এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ করলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড এবং অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সুবিধা বা আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই আইনের অধীন অপরাধ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হবে। এই অধ্যাদেশের অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, বিচার, আপিল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ (অ্যাক্ট নম্বর ভি অব ১৮৯৮) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া অধ্যাদেশে নিহত-আহতদের দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ’ এবং আহত ব্যক্তিদের যথাক্রমে ‘জুলাই শহিদ’ এবং ‘জুলাই যোদ্ধা’র স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনটি শ্রেণি রয়েছে। তা হলো, অতি গুরুতর আহত, গুরুতর আহত ও আহত।

অধ্যাদেশে জুলাই ‘শহিদ’ পরিবার এবং আহতদের কল্যাণে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের আইনি ভিত্তি দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/ইউজে/ইআ
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো