Friday 18 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ছাত্রদল নেতা জনি হত্যা: ৬২ জনের নামে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৯ জুন ২০২৫ ১২:৩৬ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২৫ ১৭:৫৬

নিহত ছাত্রদল নেতা মো. নুরুজ্জামান জনি।

ঢাকা: পুলিশি হেফাজতে ছাত্রদল নেতা মো. নুরুজ্জামান জনি নিহতের ঘটনায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

রোববার (২৯ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এ অভিযোগ করেন নিহত জনির বাবা ইয়াকুব আলী।

এর আগে, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর খিলগাঁও থানায় মামলা করেন তিনি। মামলায় সাবেক এমপি সাবের হোসেন চৌধুরীর নামও উল্লেখ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৫ সালের ১৯ জানুযারি সকাল সোয়া ৮টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছোট ভাই মনিরুজ্জামান হীরাকে দেখতে যান নুরুজ্জামান জনি ও তার সহপাঠী মইন। কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফেরার পথে তাদের ডিবি পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নির্যাতন চালান আসামিরা। পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন দক্ষিণ কার্যালয়ে নিয়েও নির্যাতন চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

ওই সময় খিলগাঁও থানা, ডিবি দক্ষিণ অফিস, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অফিসসহ বিভিন্ন থানায় হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়ান জনির সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মুনিয়া পারভিনসহ আত্মীয়স্বজনরা। কিন্তু তাকে আটক করা হয়নি বলে জানানো হয়।

ঠিক একদিন পর ২০ জানুয়ারি ২০ জানুয়ারি ভোরে খিলগাঁও থানার জোড়াপুকুর খেলার মাঠের আশপাশের মানুষজন চিৎকার শুনতে পান। নির্যাতিত ব্যক্তিটি ‘পানি পানি’ বলে চিৎকার ও ‘মা মা’ বলে আর্তনাদ করতে থাকেন।

ওই রাতের কান্নার শব্দ শুনতে পান একই এলাকার সি-ব্লকের বাসিন্দা লাভলী বেগম। এছাড়া রাত ৩টার দিকে ‘ও মাগো, মা, মা.. বাঁচাও’ বলে কয়েকবার চিৎকার শুনেছেন বলে জানান এ-ব্লকের বাসিন্দা সাইফুদ্দিনের স্ত্রী সানজিদা আক্তার সেতু।

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তখন আসামিরা বলেন, পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জনি নিহত হয়েছেন। এরপর তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে যান। সেখানে জনির বুকের বামে, ডান দিকে, দুই হাতের তালুতে ১৬টি গুলির চিহ্ন দেখেন। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল।

সারাবাংলা/আরএম/এসডব্লিউ
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো