Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কলকাতায় ‘পার্টি অফিস’ খুলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, চলছে কীভাবে

সাারাবাংলা ডেস্ক
৮ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪২ | আপডেট: ৮ আগস্ট ২০২৫ ১৯:০৬

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দলটির কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই আবার কলকাতায় বসবাস করছেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে তারা সেখানে ‘দলীয় কার্যালয়’ খুলে রাজনৈতিক কার্যক্রমও চালাচ্ছেন।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিবিসি বাংলায় এ সম্পর্কিত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা লাগোয়া উপনগরীটাতে একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তাদের নতুন ‘পার্টি অফিস’। সেখানে নেই কোনো সাইন বোর্ড, শেখ হাসিনা অথবা শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ছবি। সেখানেই নিয়মিত যাতায়াত করছেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ এবং মধ্যমস্তরের নেতা।

বিজ্ঞাপন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো বৈঠক বা দলীয় দফতরের কাজ করতেন নিজেদের বাসাতেই। বড় কোনো সভার প্রয়োজন হলে তাদের কোনো রেস্তোরাঁ বা ব্যাঙ্কোয়েট হল ভাড়া করতে হতো।

দলটির নেতাকর্মীরা বিবিসিকে বলেছেন, ‘নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ, বৈঠক ইত্যাদির জন্য একটা ঘর দরকার ছিল। এটা পাওয়া গেছে। এটাকে আমরা পার্টি অফিসই বলি, কিন্তু আদতে এটা একটা বাণিজ্যিক অফিস।’

তারা আরও বলেছেন, ‘৩০-৩৫ জনের বৈঠক এই দফতরেই হয়ে যায়। তবে একটু চাপাচাপি করে বসতে হয়। ছোটখাটো বৈঠক বিভিন্ন নেতাদের বাসাবাড়িতে এখনো হয়। তবে বড় বৈঠকগুলো, যেখানে শ দুয়েক নেতাকর্মী হাজির হওয়ার কথা, সেরকম বৈঠকের জন্য কোনো ব্যাঙ্কয়েট হল বা কোনো রেস্তরাঁর একটি অংশ ভাড়া নেওয়া হয়।’

বিবিসি প্রতিবেদনে আরও বলছে, বাণিজ্যিক পরিসরটির পেছনের দিকের ভবনের অষ্টম তলায় লিফট দিয়ে উঠে বাঁ দিকে গেলেই সারিবদ্ধভাবে পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দফতর। করিডোরের দুপাশে হালকা বাদামি রঙের একের পর এক দরজা। সেখানেই একটি দরজার আড়ালে রয়েছে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বর্গফুটের এই ঘরটিতে উঁকি দিলেও বোঝা যাবে না, এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক আছে।

শেখ মুজিবুর রহমান বা শেখ হাসিনার কোনো ছবি না রাখার প্রসঙ্গে বলেন, ‘ ছবি বা সাইনবোর্ড কোনো কিছুই আমরা রাখিনি খুবই সচেতন ভাবে। আমরা চাইনি যে এই ঘরটার পরিচিতি প্রকাশ করতে। এমনকি একটা দলীয় দফতরে যেসব ফাইল ইত্যাদি থাকে, সেসবও এখানে রাখা হয় না। নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ, বৈঠক ইত্যাদির জন্য একটা ঘর দরকার ছিল, এটা পাওয়া গেছে। এটাকে আমরা পার্টি অফিসই বলি, কিন্তু আদতে এটা একটা বাণিজ্যিক অফিস।’

সারাবাংলা/এসআর
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো