Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বিদ্যালয় মাঠে কোমর পানি: নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৮ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৩৫

নোয়াখালী: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধ ছিল। এতে শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের নজরে আসে। তিনি দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন। এতে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘব হওয়ায় তারা উচ্ছ্বসিত।

জানা গেছে, গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে নোয়াখালীর ৮টি উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এ জলাবদ্ধতা দীর্ঘ হতে থাকে। পানিতে নিমজ্জিত হয় জেলার বিভিন্ন সড়ক, মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা।

বিজ্ঞাপন

জুলাই মাসের শুরু থেকেই বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে প্রায় আড়াইশো শিক্ষার্থীর স্কুলে আসা-যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, যার ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমতে থাকে। এক মাসের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতা থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। হাতে গোনা যে ক’জন শিক্ষার্থী আসছিল, তাদেরও কোমরসমান পানি ভেঙে স্কুলে আসতে হতো, ফলে প্রতিদিন তাদের জামাকাপড় নষ্ট হচ্ছিল। এ ছাড়া, এমন পরিস্থিতিতে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও তৈরি হয়।

বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের নজরে আসে। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন। এরপর মহাপরিচালক নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডকে এ বিষয়ে অবগত করেন।

পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী হালিম সালেহীর নির্দেশনায় ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (বেগমগঞ্জ) মো. রাসেল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টির মাঠের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মাঠে যাতে বাইরে থেকে পানি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য জিওব্যাগ দিয়ে ব্লক ও পাম্প দিয়ে স্থায়ীভাবে পানি নামার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নিষ্কাশন শেষে পুনরায় বৃষ্টিতে পানি জমলে স্থায়ীভাবে নিষ্কাশনের জন্য বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে পাম্পটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা।

উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (বেগমগঞ্জ) মো. রাসেল উদ্দিন জানান, উপদেষ্টার নির্দেশে তারা বিদ্যালয় মাঠ থেকে স্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন। এতে শিশুরা তাদের খেলার মাঠ ফিরে পেয়েছে। অনেক দিন পর লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে পেরে তারা উচ্ছ্বসিত। শিশুদের আনন্দ দেখে তারাও খুশি বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সারাবাংলা/এসআর
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো