Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

এক মঞ্চে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৩ অক্টোবর ২০২৫ ২১:৩১ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ২২:৫০

অনুষ্ঠানে তরুণরা তাদের স্থানীয় সমস্যা ও দাবিসমূহ রাজনৈতিক নেতাদের সামনে তুলে ধরেন। ছবি: সারাবাংলা

বাগেরহাট: বাগেরহাটে তরুণদের নেতৃত্বে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রণয়ন উদ্যোগে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এক্টিভিস্টা বাগেরহাট ও রামপালের উদ্যোগে এবং বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা ও একশন এইডের যৌথ আয়োজনে জেলা পরিষদ হলরুমে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ ও স্থানীয় জনগণের দাবিদাওয়া আগামী নির্বাচনি ইস্তেহারে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হয়েছে বলে দাবি করছে আয়োজকরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরুল হাসান মিলনসহ অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট ১ আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী এম এ সালাম, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, এনসিপির সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার, ইসলামী আন্দোলনের শেখ জিল্লুর রহমান, বাগেরহাট ২ আসনের বিএনপির লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের শেখ আ. ওয়াদুদ, এনসিপি প্রার্থী মোল্লা রহমত উল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মোশারেফ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, টেকনাফ ও চট্টগ্রাম জেলার তরুণদের অংশগ্রহণে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় একটি জনকেন্দ্রিক ও তরুণনেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ইস্তেহার তৈরি করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে তরুণরা তাদের স্থানীয় সমস্যা ও দাবিসমূহ রাজনৈতিক নেতাদের সামনে তুলে ধরেন। আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু সহনশীলতা, জীবিকা নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ পানির অধিকারসহ নানা স্থানীয় ইস্যু। তরুণরা জোর দিয়ে বলেন, তাদের কণ্ঠ যেন স্থানীয় উন্নয়ন ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে প্রতিফলিত হয়।

অনুষ্ঠানে এএসএম মঞ্জুরুল হাসান মিলন বলেন, ‘এই ধরনের অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া জনগণ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো একটি তরুণ-অন্তর্ভুক্ত গণতন্ত্র গড়ে তোলা, যেখানে নির্বাচনী ইস্তেহার জনগণের প্রকৃত চাওয়া থেকে তৈরি হবে এবং নির্বাচনের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যাবে।’

সারাবাংলা/জিজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর