Saturday 15 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির মামলা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৯ নভেম্বর ২০২৫ ২১:৩১ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৪০

বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেন। ছবি: সারাবাংলা

বগুড়া: বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে স্নাতকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে নাটোরের সিংড়ার আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে বিচারক শুনানি শেষে জেলা পিবিআইকে মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা জানান, মামলার বাদী সিংড়া উপজেলার সাওইল গ্রামের মো. মাসুদ আলী। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল এলাকার বাসিন্দা। তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজ্ঞাপন

এদিকে সাবেক এমপি মোশারফের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি মিথ্যা বলে তার নির্বাচনি এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।

বিএনপির নেতা মোশারফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আগেও চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখনও হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

মামলার আইনজীবী মাসুদ রানা আরো জানান, মাসুদ আলী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষে বিএসএস’র ছাত্র ছিলেন। মাসুদ আলী প্রথমবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। পরে আর তিনি পরীক্ষা দেননি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মোশারফ হোসেন বাদীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একই শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পাসের একটি সনদ সংগ্রহ করেছেন। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি সেই সনদ দেখিয়ে বগুড়া আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তখন বিষয়টি তার আগের সভাপতি চ্যালেঞ্জ করেন। তখন বাদী তার রোল, নিবন্ধন নম্বর ও শিক্ষাবর্ষ ব্যবহারের বিষয়টি জানতে পারেন।

জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও এমপি প্রার্থী মোশারফ হোসেন আরও বলেন, চলতি বছরের ২৮ মে আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ তুলেছি। রেজিস্ট্রেশন কার্ড থেকে শুরু করে সব মূল কাগজ আমার কাছে আছে। আমার বিরোধী ও দলের মনোনয়ন বঞ্চিতরা আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য কাউকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা মামলা করেছেন। তিনি বলেন, আমার সার্টিফিকেটের ছবি আমার ভেরিফাই ফেসবুকে আপলোড করেছি। সেখান থেকে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর