Saturday 15 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশের নাম উল্লেখ না করে বিজয় দিবসে মোদির পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৩২ | আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:০৯

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। এছাড়া তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি লিখেছেন, ‘বিজয় দিবসে, আমরা আমাদের সেই সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি যাদের সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ ১৯৭১ সালে ভারতের এক ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করেছিল। তাদের দৃঢ় মনোবল এবং নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে একটি গৌরবান্বিত মুহুর্ত খোদাই করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে মনে করিয়ে দেয়। সেনাদের এই বীরত্ব ভারতের বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।’

বিজ্ঞাপন

এরআগে বিজয় দিবস নিয়ে একটি পোস্ট দেয় ভারতের সেনাবাহিনী। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, ‘বিজয় দিবস শুধুমাত্র কোনো একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের একটি প্রতীক।’

মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয় যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, ‘এটি ছিল সেই বিজয়। যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে নিয়ে গেছে চূড়ান্ত স্বাধীনতার দিকে। এটি এমন বিজয় যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুন করে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে এবং নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে।’

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও বলেছে, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পুরো জাতির ওপর যে নৃসংশতা, অত্যাচার এবং নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে-এই যুদ্ধ সেটির অবসান ঘটিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। যুদ্ধের শেষ দিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী এতে যোগ দেয়। এ কারণে ভারতও ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে।

তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের। কারণ এদিনই বাংলাদেশ পেয়েছিল তার কাঙ্খিত স্বাধীনতা।

সারাবাংলা/জিজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর