Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

৭ বছর আগের জোড়া খুনে গৃহকর্মী সুরভীর মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২৩ | আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫২

-ছবি : প্রতীকী ও সংগৃহীত

ঢাকা: রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় সাত বছর আগে সংঘটিত আলোচিত জোড়া হত্যা মামলায় গৃহকর্মী সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাসার আরেক কর্মী বাচ্চু মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন নির্ধারিত থাকলেও প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় তা পিছিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (নতুন ১৫) সড়কের ‘লোবেলিয়া হাউজ’ ভবনের পঞ্চম তলা থেকে আফরোজা বেগম (৬৫) ও তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

আফরোজা বেগমের মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা একই ভবনের ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার পরদিন, ৩ নভেম্বর তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত শুরু হলেও পরে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। প্রায় ২৭ মাস পর, ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।

২০২২ সালের ১১ অক্টোবর আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন। বিচার চলাকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে দিলরুবা তার গৃহকর্মী দিতিকে মায়ের ফ্ল্যাটে কাজের জন্য পাঠান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাকে ফোনে না পেয়ে তিনি বাসার কর্মী রিয়াজকে খোঁজ নিতে পাঠান। রিয়াজ গিয়ে কলিং বেল ও দরজা ধাক্কা দিলে দরজা খোলা দেখতে পান। ভেতরে প্রবেশ করে তিনি আফরোজা বেগমকে ডাইনিং রুমে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশের গেস্টরুমে দিতির মরদেহ পড়ে ছিল। পরে বিষয়টি দিলরুবাকে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে একই দৃশ্য দেখেন।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর