Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবি

স্টাফ করেসপন্ডেট
৭ মার্চ ২০২৬ ১৫:৪৯ | আপডেট: ৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪৫

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে নারীপক্ষসহ দেশের ৬১টি বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস কমিটি’।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শনিবার (৭ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এমন দাবি তোলা হয়। কমিটির আওতাভুক্ত বিভিন্ন নারীবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেয়।

এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা ও প্রত্যাশা।’

কর্মসূচিতে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন নারীপক্ষের সদস্য রেহানা সামদানী, সবুজের অভিযান ফাউন্ডেশনের মাহমুদা বেগম এবং ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের লায়লা আরিফা খানম। ঘোষণাপত্রে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি বিশ্লেষণ করেন অ্যাসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশনের সামিয়া আহম্মেদ, বহ্নিশিখার সামিনা ইয়াসমিন, শক্তি ফাউন্ডেশনের তামান্না ইয়াসমীন খান এবং নারীপক্ষের কামরুন নাহার। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন স্লোগানও দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

অবস্থান কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস কমিটির ব্যানারের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানার ও বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ফেস্টুন প্রদর্শন করা হয়। কর্মসূচিতে কমিটির অন্তর্ভুক্ত ৬১টি সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, বিভিন্ন বয়সী ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রায় ৩০০ জন অংশ নেন।

কর্মসূচি শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আন্তর্জাতিক নারী দিবস কমিটির সমন্বয়কারী ও নারীপক্ষের সদস্য তামান্না খান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের নারী মুক্তি আন্দোলনের পরও নারীর অবস্থান ও বাস্তবতায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। এখনও অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারীরা এমনকি রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সহিংসতা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এতে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন-জীবিকাও সংকটের মুখে পড়ছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে। তাই সবাইকে যুদ্ধ নয়, শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

একই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঢাকার বাইরেও প্রায় ৫০টি জেলায় ‘দুর্বার নেটওয়ার্ক’ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর