Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ফেসবুকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে শিক্ষার্থী গ্রেফতার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১০

ঢাকা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে ভিকটিমের পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে আল আসিফ মাহমুদ প্রিন্স (২৫) নামের এক মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সিআইডি বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন সাভার ডিওএইচএস এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরে। তার নামে আশুলিয়া থানায় গত ১৭ মার্চ পর্নোগ্রাফি মামলা করা হয়। তার কাছ থেকে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত আলামত ও ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জসীম উদ্দিন খান বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী। ফেসবুকে একটি নির্দিষ্ট আইডিকে টার্গেট করে সুকৌশলে নিজেদের আয়ত্তে এনে আইডি থেকে ব্ল্যাকমেইলিং করার মত বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে মান সম্মান ক্ষুণ্ণ করার ব্ল্যাকমেইলিং ও ক্রমাগত চাপে রেখে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করে নিত এ চক্রটি।

তিনি বলেন, মামলাটি তদন্তকালীন জানা যায় যে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে ভুক্তভোগীকে নক দিয়ে ভুক্তভোগী ও তার স্বামীর ব্যক্তিগত ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। ক্রমাগত হুমকিতে মান-সম্মান ক্ষুন্ন করার ভয় দেখিয়ে একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর নিকট বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তদন্তকালীন প্রাপ্ত তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে আল আসিফ মাহমুদ প্রিন্সকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসিফ মাহমুদ প্রিন্স ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সুকৌশলে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে নেয় এবং পরবর্তীতে সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করার অভিযোগ স্বীকার করেছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতারকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর