Sunday 16 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ব্যাংক খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও তারল্যে ইতিবাচক প্রবণতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৬ | আপডেট: ৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:৩২

ঢাকা: দেশের ব্যাংকিং খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও বাজার তারল্য পরিস্থিতিতে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা খাতটির স্থিতিশীলতা ও সক্ষমতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বৃহস্প‌তিবার (২ এপ্রিল) বাংলা‌দেশ ব্যাংকের সহকা‌রী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর ‘নেট ওপেন পজিশন’ (এনওপি) সময়ের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। ২০২৩ সালের জুনে যেখানে এনও‌পি ছিল ১০৭.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, তা ২০২৪ সালের জুনে বেড়ে ২৭২.৭০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। ২০২৫ সালের জুনে এটি আরও বেড়ে ১,১১৬.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়।

বিজ্ঞাপন

তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রমজান উপলক্ষ্যে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এনওপি সাময়িকভাবে কমে ৬০২.৭১ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে আজ ২ এপ্রিল তা আবার বৃদ্ধি পেয়ে ১,০৮০.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় দৃঢ় অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

অন্যদিকে, নেট এফএক্স হোল্ডিং বা বাজার তারল্যেও ইতিবাচক পুনরুদ্ধার দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালের জুনে বাজারে তারল্য ছিল ৩.৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৪ সালের জুনে বেড়ে ৩.৮৯ বিলিয়নে উন্নীত হয়। ২০২৫ সালের জুনে তা কিছুটা কমে ৩.৫০ বিলিয়নে দাঁড়ায়।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাজার তারল্য কমে ২.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এলেও মার্চ মাসে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার হয়। সর্বশেষ ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাজার তারল্য বেড়ে ৩.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, সাময়িক চাপ থাকা সত্ত্বেও দেশের ব্যাংকিং খাত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও তারল্য পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। নীতিগত সহায়তা ও কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ফলে খাতটির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সারাবাংলা/এসএ/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর