Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২০ মে ২০২৬ ১৮:১০ | আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ২০:২৫

আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ – ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় বাদী ও নিহতের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

তবে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর পক্ষে বুধবার আদালতে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিল না। চিন্ময়ের পক্ষে তিনটি আবেদন করা হয়েছিল। আইনজীবী না থাকায় এসব আবেদন শুনানি না করে নামঞ্জুর করার আদেশ দেয় আদালত।

মামলার বাদীর আইনজীবী ও আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, “আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় নিহত আলিফের বাবা ও মামলার বাদী আজ ষষ্ঠবারের মতো জেরার জন্য আদালতে উপস্থিত হন। তবে আসামি চিন্ময় দাসের আইনজীবী আবারও সময়ের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে পরবর্তী আগামী ২৪ জুন নতুন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।”

বিজ্ঞাপন

চিন্ময় দাসের আইনজীবী আদালতে চিন্ময়ের জামিন, জেরা করার জন্য সময়ের প্রার্থনা এবং চিন্ময় দাসের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে চিকিৎসার জন্য লিখিত আবেদন করেছিলেন।

বাদীর আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, “আসামির পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত আবেদন তিনটির শুনানি না করে নামঞ্জুর করেছেন। অন্য আসামিদের পক্ষে আগেই জেরা শেষ হওয়ায় আজ আদালত বাদীর জেরা সমাপ্ত ঘোষণা করেছেন।”

শুনানি শেষে অন্য আসামিদের আদালত ভবনের নিচে নামানোর সময় সিঁড়িতে আসামিদের স্বজনদের সাথে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ প্রহরায় আসামিদের প্রিজন ভ্যানে তুলে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ওই আদেশের পর আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজনভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন লোকজন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময় কৃষ্ণকে কারাগারে নিয়ে যায়। সেদিন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন তদন্ত কর্মকর্তা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। এতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৮ জনকে আসামি করা হয়। পরে আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে বিচার কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে মামলায় ২৬ জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছে এবং ১৩ জন আসামি পলাতক রয়েছে।

সারাবাংলা/এসএন/এসআর