Wednesday 22 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সোহাগ হত্যা মামলায় আদালতের প্রতি অনাস্থার আবেদনের শুনানি ২৭ জুলাই

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ জুলাই ২০২৬ ২০:৫৮

ঢাকা: আলোচিত সোহাগ ওরফে লাল চাঁদ হত্যা মামলায় এক আসামির আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে করা আবেদনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৭ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির আসামি পক্ষের সময়ের আবেদনের পর এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, এদিন অনাস্থার আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আসামিপক্ষের এক আইনজীবীর দাদা মারা যাওয়ায় সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন এবং নতুন করে ২৭ জুলাই শুনানির দিন ঠিক করেন।

এর আগে গত ১২ জুলাই মামলার ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে ১৯ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিন আসামি মাহমুদুল হাসান মাহিন আদালতের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেন। তার আইনজীবী মাশরুর হোসাইন আদালতে জানান, অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন প্রবল বৃষ্টির কারণে তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি মামলার সাত আসামির পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আইনজীবীর ভাষ্য, অভিযোগ গঠনের আগে আপত্তি উপস্থাপনের সুযোগ না দিয়েই আদালত অভিযোগ গঠন করায় তার মক্কেলরা ন্যায্য বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এ কারণেই আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত ২১ জনের মধ্যে বর্তমানে ১০ জন কারাগারে, তিনজন জামিনে এবং আটজন পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে ভাঙারি ও পুরোনো তারের ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথম দফায় দাখিল করা অভিযোগপত্রে ত্রুটি থাকায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ অধিকতর তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে ২১ জনকে অভিযুক্ত করে নতুন অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন।

পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হলে গত ১২ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।