Monday 27 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের দুর্নীতি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৭ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৫

নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহাজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত দিনে দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই বছরের ২৭ আগস্ট এ মামলায় তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ১৮ জুন কলিমউল্লাহসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক একেএম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু ও এমএম হাবিবুর রহমান।

এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেন। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

এ ছাড়া ঠিকাদারের নিরাপত্তা জামানত এফডিআর হিসেবে সংরক্ষণ করে সেই এফডিআরের বিপরীতে ঋণ সুবিধা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্যারান্টার হিসেবে ভূমিকা রাখে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আইনি বিধান না থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদারকে অগ্রিম বিল প্রদান, সেই বিল সমন্বয়ের আগেই ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করা, প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নকশা উপেক্ষা করে বিধিবহির্ভূতভাবে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ এবং পিপিআর-২০০৮ অনুযায়ী অস্বাভাবিক দর মূল্যায়ন না করার মতো অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।