ঢাকা: উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ) জামিন আদেশ দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানোর জন্য নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ লক্ষ্যে আগামী সাত দিনের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি সাইয়েদ মোহাম্মদ তাজরুল হোসাইনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন এবং অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন ও নিম্ন আদালতের দুইজন আইনজীবী এ বিষয়ে রিট আবেদন করেন। আবেদনকারীরা হলেন অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ সাদিক, অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ, অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান।
শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে অনুসৃত একটি পদ্ধতির উদাহরণ তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ভারতে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ দ্রুত অনলাইনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যা বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে সাত দিনের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ওই কমিটিকে আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে জামিন আদেশ দ্রুত প্রেরণের নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে।