ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক বিদ্যমান এবং এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাষ্টীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই ইতিবাচক ধারাকে বর্তমান সরকার প্রথম দিন থেকেই বজায় রেখেছে এবং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে প্রধানত বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। জ্বালানি খাতে সহযোগিতার জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক বিদ্যমান রয়েছে, যার অধীনে কাজ চলছে। এছাড়া, বাংলাদেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বোয়িং বিমান কেনার বিষয়টিও আলোচনায় ইতিবাচকভাবে উঠে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বাংলাদেশ যে সহায়তা পায়, তার অর্ধেকেরও বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এই সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বা প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে কোন কথা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বৈঠকে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি বা এ বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। একইভাবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাজ কিংবা আওয়ামী লীগ সম্পর্কেও কোনো আলোচনা হয়নি বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য শুল্ক সংক্রান্ত ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইন এবং ট্যারিফ আরোপের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।