Sunday 02 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ছাত্রলীগ নেতা নিবাস ৫ দিনের রিমান্ডে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫২ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫১

ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহ-সভাপতি নিবাস মজুমদার – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহ-সভাপতি নিবাস মজুমদার-কে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম-এর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার নিবাস মজুমদারকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেদিন শুনানি অনুষ্ঠিত না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য ২ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা।

বিজ্ঞাপন

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড আবেদন বাতিলের দাবি জানান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণির মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী অবৈধ মিছিল করেন। এ সময় তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিবাস মজুমদারের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ‘শেখ হাসিনা সৈনিক সেন্ট্রাল’ নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে তিনি জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং ককটেলের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন হওয়ায় ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন