ঢাকা: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। গত বছরের একই মাসে এসেছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের শেষ দুই দিন—৩০ ও ৩১ জুলাই—দেশে ১৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর ফলে মাসজুড়ে মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।
রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে এই আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতি, ভোগব্যয় এবং বিনিয়োগেও প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরেও রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী থাকবে, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।