ঢাকা: কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে সার আমদানি এবং সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানিসহ ৭টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে সার আমদানির ৩টি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি মেট্রিক ৩৭৭.৬৩ ডলার দরে ‘কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশন’ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা; একই দরে রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রুডিনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে ১৬৩ কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।
এছাড়া প্রতি মেট্রিক টন ৪৩০ ডলার দরে সৌদি আরবের ‘সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি’ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানিতে ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে স্পট মার্কেট থেকে আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় ১ কার্গো এলএনজি আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান ‘আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’ এই কার্গো সরবরাহ করবে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ২৩.৯৩ ডলার।
অন্যান্যের মধ্যে বৈঠকে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ২ কোটি লিটার পাম অয়েল কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই লিটারের পেট বোতলে এটি সরবরাহ করবে ‘শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। প্রতি লিটার তেল ১৮৪ টাকা ১০ পয়সা দরে এতে মোট ব্যয় হবে ৩৬৮ কোটি ২০ লাখ টাকা।
এছাড়া দুটি পরামর্শক সেবা ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর রেলওয়ের একটি প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ঘোড়াশাল সার কোম্পানিতে নিয়োগকৃত প্রশাসকের মেয়াদ একবছর বাড়ানো হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯ কোটি ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।