ঢাকা: দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা সুসংহত করা এবং যেকোনো জাতীয় দুর্যোগ কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাস্তবসম্মত ও সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রশিক্ষণের কাজে শুধু নতুন রানওয়ে ও পূর্ণাঙ্গ বিমানঘাঁটি স্থাপনের পরিবর্তে দেশে এরই মধ্যে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নির্ধারিত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক লিখিত প্রশ্নের সুস্পষ্ট জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারের এই কৌশলগত অবস্থান তুলে ধরেন।
সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পৃথক বিমানঘাঁটি, নতুন রানওয়ে এবং সহায়ক আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ একটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান শিল্পায়ন ও পরিবহন অবকাঠামো সব অঞ্চলে সমানভাবে বিস্তৃত নয়, তাই যেকোনো নতুন অবকাঠামোগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দেশের এই বিদ্যমান বাস্তবতাকে পুরোপুরি বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সামরিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বায়সংকোচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, শুধুমাত্র দৈনন্দিন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে নতুন রানওয়ে গড়ে তোলার চেয়ে বর্তমান সুযোগ-সুবিধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। তিনি আরও বলেন, সাশ্রয়ী এই নীতির ফলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের সাশ্রয় ঘটবে এবং সময় বেঁচে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।