Saturday 18 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শ্রদ্ধায় সিক্ত হতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৭:৪৭ | আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৭:৫১

ঢাকা: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে শোভা পাচ্ছে আল্পনা; আশাপাশের দেওয়ালগুলোতে লেগেছে রং তুলির ছোঁয়া।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় দেখা যায়, অন্য সময়ে অবহেলা-অযত্নে পড়ে থাকতে দেখা ফেলেও এখন মিনারের বেদিসহ সামনের বড় অংশ চকচকে পরিষ্কার। মিনারের সামনে বড় জায়গাজুড়ে করা হয়েছে আল্পনা। শহিদ মিনারের আশপাশের দেয়ালগুলোতে শোভা পাচ্ছে নানান ধরনের ছবি আর উক্তি। ভাষা শহিদের ছবি, বাংলা বর্ণমালাসহ বিভিন্ন চিত্র শোভা পাচ্ছে দেয়ালগুলোতে।

মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গত একসপ্তাহ যাবৎ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে দেখা যায় সংশ্লিষ্টদের। শহিদ মিনারের চারপাশের দেয়ালগুলোতেও রংয়ের আঁচড়ে বাহান্ন থেকে একাত্তরের গৌরবগাঁথা, উত্তাল দিনগুলোর চিত্রকর্ম আর কবি-সাহিত্যিকদের উক্তিতে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা আল্পনা ও দেয়ালচিত্র তৈরির কাজ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের ওই ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হাসান সুজন সারাবাংলাকে বলেন, ‘১৯৬৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা এই কাজ করে থাকেন। এবারও আমরা করেছি। বেদিতে আলপনা থেকে শুরু করে আশেপাশের দেয়ালগুলোকে রং তুলিতে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বের বুকে বাংলা ভাষাকে তুলে ধরার প্রয়াসকে আরও একটু সুন্দর করার চেষ্টা থাকে আমাদের।’

এদিকে, গত দুই বছর করোনার কারণে শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা নির্দিষ্ট করা হলেও এবারের তেমনটি করা হয়নি। তবে সুষ্ঠুভাবে দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

গতকাল অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য জানান, রাত ১২টা ১মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদিতে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এর পর প্রধানমন্ত্রী। এর পর পরই জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রীবর্গ, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিন বাহিনীর প্রধান, ভাষাসৈনিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অনুষদের ডিন ও হলের প্রাধ্যক্ষরা। এদের পর সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধার জন্য শহিদ মিনার এলাকায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ছবি: হাবিবুর রহমান, সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট

সারাবাংলা/আরআইআর/পিটিএম