Sunday 26 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পাহাড়তলী বধ্যভূমি সম্প্রসারণের ঘোষণা মেয়র রেজাউলের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০:২৯

চট্টগ্রাম ব্যুরো : বেদখল হওয়া ভূমি উদ্ধার করে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বধ্যভূমিকে সম্প্রসারণ করার ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর পাহাড়তলী বধ্যভূমিতে কাউন্সিলরদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেয়র। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মেয়র এ ঘোষণা দেন।

সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর এই বধ্যভূমিতে পাক হানাদার বাহিনীর নির্মমতায় প্রাণ হারানো শহীদদের লাশ দেখেছি। হীনস্বার্থে ভূমিখেকোরা জায়গা দখল করতে করতে পাহাড়তলী বধ্যভূমিকে সংকুচিত করে ফেলেছে। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে চট্টগ্রামের বধ্যভূমির সম্প্রসারণ অত্যন্ত প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপন

‘একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তরুণদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন রক্ষার্থে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একটি কমিটি করব। কমিটির সুপারিশক্রমে পাহাড়তলী বধ্যভূমিকে সম্প্রসারিত করা হবে।’

এ সময় প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর হাসান মাহমুদ হাসনী, মোহাম্মদ জাবেদ, হাসান মুরাদ বিপ্লব, জহুরুল আলম জসিম, গাজী মো. শফিউল আজিম, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইসমাইল, আবদুস সালাম মাসুম, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, গাজী মো. শফিউল আজিম, শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, নূর মোস্তফা টিনু, তছলিমা বেগম নুরজাহান, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমাম হোসেন রানা, উপ-সচিব আশেকে রসুল টিপু, নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, আশিকুল ইসলাম, মীর্জা ফজলুল কাদের ছিলেন।

১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তিকামী বাঙালিদের নিধনযজ্ঞ চলে এই পাহাড়তলীতে। যুদ্ধ শেষে ফয়’সলেক সংলগ্ন পাহাড়তলীর আশপাশের প্রায় পৌনে ২ একর এলাকাজুড়ে মানুষের মাথার খুলি, কঙ্কাল ও হাড়গোড় দেখার কথা এসেছে প্রত্যক্ষদর্শী মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্যে। পরবর্তীতে সেখানেই প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার নুরুল ইসলাম গড়ে তোলেন তার ব্যক্তি মালিকানাধীন ইউনিভার্সিটি অব সাইয়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রামের (ইউএসটিসি) ভবন, যা নিয়ে প্রতিবাদ হলেও সেই ভূমি এখনও উদ্ধার হয়নি।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর রেজাউল করিম চৌধুরী সেই ভূমি উদ্ধার করে বধ্যভূমি সম্প্রসারণে সোচ্চার হন।

সারাবাংলা/আরডি/একে