Sunday 26 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

তিতাস অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রাথমিক অনুমোদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২:১৫ | আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩০

ঢাকা: তিতাস অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইজেড) প্রি-কোয়ালিফিকেশন বা প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।  এটি হবে মেঘনা গ্রুপের মালিকানাধীন চতুর্থ  এবং বেজার দেওয়া ২২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বেজা কার্যালয়ে এ লাইসেন্স দেওয়া হয়। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুনের সভাপতিত্বে এসময় মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, তিতাস অর্থনৈতিক অঞ্চলে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ জমি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। বেজা সাধ্যমতো সরকারি যেসব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার কথা সেগুলো করার চেষ্টা করবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ঢাকার নিকটবর্তী স্থানে হওয়ায় তিতাস অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জেলা কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির কাজ চলছে। সেটি ভুটানকে দেওয়ার আলোচনা হচ্ছে। গত ১৬ ডিসেম্বর ভুটানের রাজা বাংলাদেশ আসার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনের কারণে তার সফর পিছিয়েছেন। তিনি এলে কুড়িগ্রামেও যেতেন। কুড়িগ্রামে প্রায় ১৩৩ একর জায়গা রয়েছে। সেটি ৩০০ একরে উন্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বেজা জানিয়েছে, কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে চালিভাঙায় প্রায় ১৬১ একর জমিতে তিতাস অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান। পরবর্তী সময়ে এটিকে ৪০০ একরে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নানা ধরনের পণ্য উৎপাদনের জন্য শিল্প স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অঞ্চল হিসেবে এটিকে গড়ে তুলতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন, পণ্যাগার, লজিস্টিক এলাকা, পানি ও বর্জ্য শোধনাগার, সড়ক এবং অন্যান্য স্থাপনা গড়ে তোলা হবে। এছাড়া সবুজ এলাকা, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র থাকবে সেখানে।

পরিবেশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রায় ৬০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, ইতোমধ্যে মেঘা গ্রুপের আওতায় তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এসব জোনে মোট ২৭টি শিল্প কারখানা নির্মিত হয়েছে এবং প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। এছাড়া আরও কিছু শিল্প কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে সাতটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করেছে।

সারাবাংলা/জেজে/এনইউ