Tuesday 28 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘চিন্তা কোরো না, আমরা মুক্তি পেয়েছি’

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৪ এপ্রিল ২০২৪ ২১:২২ | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৪ ১১:০৬

খুলনা: ‘চিন্তা কোরো না, আলহামদুলিল্লাহ আমরা মুক্তি পেয়েছি। ভালো আছি, দোয়া করো। রোববার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে কথাগুলো বলছিলেন এমভি আবদুল্লাহ’র সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার তৌফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোবাইদা নোমান।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত ভোর রাতে সোমালিয়ার জলদস্যুদের জিম্মি দশা থেকে অন্যান্যদের সঙ্গে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। তৌফিকুল ইসলাম খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ২০/১ করিমনগর এলাকার মো. ইকবাল এবং দিল আফরোজা দম্পতির ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

তৌফিকের মা দিল আফরোজ বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া এবং মালিকপক্ষের কাছেও আমরা কৃতজ্ঞ। এত তাড়াতাড়ি তারা কাজ করে আমাদের ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের তো আনন্দের শেষ নেই।’

বিজ্ঞাপন

তৌফিকুল ইসলামের মেজো ভাই খালেদুল ইসলাম খালেদ বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমত এবং সকলের দোয়া ছিল। সরকার ও মালিকপক্ষের প্রচেষ্টায় আমার ভাই মুক্ত হয়েছে। আমরা সবার কাছে চির কৃতজ্ঞ। এখন আমরা তার ফিরে আসার অপেক্ষায় আছি।’

তিনি বলেন, ‘এই কয়দিন খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম, এখন স্বস্তিতে আছি। রোববার (১৪ এপ্রিল) ভোরে ফোন করে মুক্ত হওয়ার বিষয়টি পরিবারকে নিজেই জানিয়েছেন তৌফিক। ভোরে যখন সংবাদটি শুনি তখন দুশ্চিন্তা কেটে গেছে। আমরা এখন আনন্দিত।’

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজকে জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। এরপর তারা মুক্তিপণ দাবি করে। দীর্ঘ এক মাস পর মুক্তিপণ পেয়ে ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজকে মুক্ত দিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা।

সারাবাংলা/পিটিএম