নওগাঁ প্রতিনিধি : চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে পৃথক ১০টি রবি ফসল উৎপাদনে ৬ কোটি ৪৬ লাখ ৭৮ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের বীজ ও সার প্রনোদনা হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে।
জেলার ১১ হাজার ৪০০ জন প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির বিপরীতে ফসল ভিত্তিক এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁর উপপরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রনোদনা প্রদান করা রবি ফসল গুলো হচ্ছে গম, ভূট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চীনাবাদাম, মূগডাল, মধুর ডাল, খেসারী ডাল, শীতকালীন পেঁয়াজ ও অড়হর।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রমতে, ১ হাজার ৪০০ জন গমচাষীকে জনপ্রতি ২০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ২ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।
১ হাজার ৩০০ জন ভূট্টা চাষীকে জনপ্রতি ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ১৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
৫৭ হাজার সরিষা চাষীকে জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৩ কোটি ৮ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
২০০ জন সূর্যমুখী চাষীকে জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।
২০০ জন চীনাবাদাম চাষীকে জনপ্রতি ১০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৪ লক্ষ ৪ হাজার ৫শ টাকা।
৩০০ জন মূগডাল চাষীকে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৩ লক্ষ ৯ হাজার টাকা।
৮০০ জন মসুর ডাল চাষীকে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
৬০০ জন শীতকালীন পেঁয়াজ চাষীকে জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ১৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা।
৪০০ জন খেসারী ডাল চাষীকে জনপ্রতি ৮ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ৪ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা এবং ৪০০ জন অড়হর চাষীকে জনপ্রতি ২ কেজি বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে যার মোট আর্থিক মূল্য ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা।