ঢাকা: রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ডোম-ইনোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ফ্ল্যাট ক্রয়কারী ব্যক্তি ও জমির মালিকরা।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বনানী থানা সংলগ্ন ইমারত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ডোম-ইনোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে প্রতারণার শিকার হওয়া গ্রাহকরা মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে অভিযোগকারীরা বলেন, ‘বছরের পর বছর, দশকের পর দশক পার হতে চললো, তবু তাদের কাজ শেষ করার কোনো লক্ষণ নেই। মিষ্টি কথায়, মিথ্যা অজুহাত দিয়ে তারা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ লুটে নিয়ে নিয়ে কোন খাতে ব্যয় করছে, তা আমাদের অজানা। কবে কোন প্রকল্পের কাজ শেষ করবে, বা আদৌ করবে কিনা, সে সম্পর্কে তাদের কোনোই পরিকল্পনা নেই।’
বক্তারা বলেন, আইনী পথের রয়েছে দীর্ঘসূত্রিতা এবং এর ব্যয়ভার অনেকেরই অর্থনৈতিক অবস্থার বিচারে বহন করা সম্ভব নয়। তাছাড়া বিগত সরকারের আমলে রিয়েল এস্টেট আইনটি একতরফাভাবে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীবান্ধব আইনে পরিণত করা হয়েছে। এর সুষ্ঠু সংষ্কার ছাড়া যথাযথ প্রতিকার পাওয়া অসম্ভব। পরিস্থিতির কারণে দাবি আদায়ে পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
মানববন্ধনে ভুক্তোভোগীরা ৫ দফা তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
১) ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক ও ফ্ল্যাট বরাদ্দগ্রহীতাদের জন্য ডোম-ইনোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণসহ ন্যায্য সমাধান চাই।
২) আমাদের কষ্টের টাকা নয়ছয় করে সারাদেশ জুড়ে ডোম-ইনো এবং তার পরিচালনা পর্ষদ নামে বেনামে যে স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করেছে, তা বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
৩) ডোম-ইনো এবং তার পরিচালকদের সবার ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে হবে।
৪) রিয়েল এস্টেট কোম্পানিদের প্রতিষ্ঠান রিহ্যাব থেকে ডোম-ইনোকে বহিষ্কার এবং রিহ্যাবের সদস্যপদ স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে।
৫) ডোম-ইনোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে হুমায়ুন হাসান, আদনান সোবহান, সিহাব উদ্দিন আহমেদ, তোবারক হোসেন খান রিয়াদ, ফজলুর রহমান খান, মাইনুল আলম ও তন্ময় মঞ্জুর এ মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ইমারত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ডম ইনো কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।