Tuesday 25 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সীমান্তে হত্যা ও বেড়ার প্রশ্ন উঠলে তাৎক্ষণিক আলেচনায় মীমাংসা

স্পেশাল করেসপডেন্ট
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২০:২৪ | আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২৩:৩০

সীমান্তে বিজিবি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সীমান্ত হত্যা ও বেড়া দেওয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে মীমাংসা হবে বলে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিজিবি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দিল্লিতে দুই বাহিনীর চার দিনের এই বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও বেড়া দেওয়ার বিষয় দুটিই প্রাধান্য পেয়েছে।

বৈঠকের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, ‘সীমান্তে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে। সীমান্তের দেড়শ মিটার ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃত। সেটা মেনে নিতে হবে। ওই এলাকায় স্থায়ী অবকাঠামো তৈরি করা যায় না। ১৫০ মিটারের বাইরে কোনো স্থাপনায় আপত্তি নেই।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। যৌথ উদ্যোগে সমস্যা সমাধানের বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত।’

বিজিবির মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘বেড়া দেওয়া নিয়ে আপত্তি দেখা দিলে বা প্রশ্ন উঠলে দুই বাহিনী যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শনের পর সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের দুই দেশের সীমান্ত চুক্তি পুনর্বিবেচনা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কারণ, সেই আলোচনা এই বৈঠকের বিচার্য বিষয় ছিল না।’

বৈঠকের পর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে দুই বাহিনী সমন্বিতভাবে তৎপর হবে।

এদিন দিল্লিতে বিএসএফের সদর দফতরে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ বৈঠকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরী ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী নিজেদের মধ্যে দলিল বিনিময় করেন।

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়টি বিজিবির পক্ষ থেকে এই বৈঠকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে তোলা হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরী বলেন, ‘সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে বিজিবিকে বারবার বলা হয়। কিন্তু তবু দীর্ঘ সীমান্তের কোথাও কোথাও দুষ্কৃতকারীরা সক্রিয় থাকে। বিএসএফ সতর্কভাবে তাদের মোকাবিলা করে।’ প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার না করার নীতি থেকে বিএসএফ সরেনি বলে উল্লেখ করেন দলজিৎ সিং চৌধুরী।

সারাবাংলা/ইউজে/এইচআই