Wednesday 26 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চুয়াডাঙ্গায় ৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২ মার্চ ২০২৫ ১৯:২৬ | আপডেট: ২ মার্চ ২০২৫ ২০:৩৬

চুয়াডাঙ্গা: জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় ও শহরের পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দু’দিনে ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

রোববার (২ মার্চ) ও শনিবার এ অভিযান চালানো হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বাজারে অভিযান চালানো হয়। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ওষুধ, কসমেটিক্স, মাংস এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাইকারী ও খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় এমআর স্টোরের মালিক আব্দুল ওদুদকে ৪ হাজার ও সরদার স্টোরের মালিক জহিরুল ইসলামকে ৪ হাজার এবং দেওয়ান স্টোরের মালিক জসিম উদ্দিনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া গত শনিবার চুয়াডাঙ্গা শহরের নিচের বাজার, বড় বাজার, টাউন ফুটবল মাঠ ও কলেজ রোড এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড় ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় সেমাই তৈরী কারখানা, পাইকারী ও খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে সেমাই তৈরী করায় মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক আবুল কালাম আজাদকে ১৫ হাজার এবং ফলের দোকানে মূল্য তালিকা না প্রদর্শন করার কারণে মেসার্স গৌতম স্টোরের মালিক গৌতমকে ১ হাজার ও হাসিবের ফলের দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় তাকে ১ হাজার টাকা, বেশী দামে তেল বিক্রি করার কারনে মেসার্স সেলিম স্টোরের মালিক চঞ্চল হোসেনকে ১০ হাজার এবং পণ্যের যথাযথভাবে তথ্য সংযোজন না করা এবং বেশী দামে পণ্য বিক্রির কারণে স্বপ্ন বাজারের মালিক রশিদুল হাসানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় সবাইকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, অবৈধ মজুদ না করা, সঠিকভাবে মুল্য তালিকা প্রদর্শন, কেনা-বেচার ভাউচার সংরক্ষণ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি না করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়।

অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মুশফিকুর রহিম, ক্যাব সদস্য রফিকুল ইসলাম ও একদল পুলিশ সদস্য।

সারাবাংলা/আরএস