Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দুই মাঠে এক ম্যাচ, বাংলাদেশের দাপুটে জয়

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৫ ২২:১৫ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৫ ২২:২২

দুই মাঠে এক ম্যাচ! দেশের ফুটবল ইতিহাসে এমন নজির দেখা যায়নি আগে। আজ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ বনাম ভুটানের মধ্যকার ম্যাচে ঘটল এমন বিরল ঘটনা। মাঝপথে বদলে যাওয়া ভেন্যুর ম্যাচে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন শান্তি মার্ডি।

এমন কাণ্ড ঘটেছে বৃষ্টির কারণে। বাংলাদেশ-ভুটান নারী দলের ম্যাচটা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল কিংস অ্যারেনায়। গত দুদিন ধরেই ঢাকার আকাশে টানা বৃষ্টি। যাতে স্টেডিয়ামেও পানি জমে যায়। তবে ভেজা মাঠেই নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছিল খেলা।

খেলা চলাকালে আবার বৃষ্টির আগমন। যাতে প্রথমার্ধের পর কিংস অ্যারেনায় আর খেলা শুরু করা সম্ভব হয়নি। দুই দফা পর্যবেক্ষণের পর ওই মাঠে ম্যাচ না পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে অনেকক্ষণ পর শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শুরু করা হয় কিংস অ্যারেনার প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে, সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতকর পরিস্থিতির ম্যাচে অবশ্য বাংলাদেশের দাপটই ছিল। প্রথমার্ধের খেলায় ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। নতুন মাঠে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ভুটান গোল করে সমতায় ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বড় জয়ই পেয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল পায় বাংলাদেশ। তৃঞ্চা রানীর শট ভুটান গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল পেয়ে জালে জড়িয়ে দেন শান্তি মার্ডি।

নতুন মাঠে ৫৩ মিনিটে সমতায় ফেরে ভুটান। বাংলাদেশের রক্ষণে ঢিলেঢালা হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল আদায় করে নেন ‍ভুটানের সানগে ওয়াগমো। তবে বেশিক্ষণ গোলহীন থাকতে হয়নি বাংলাদেশকে। ৫৭ মিনিটে সেই শান্তি মার্ডি আবারও এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে। কর্নার কিকের বল জালে জড়িয়ে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। ৭৬ মিনিটে ব্যবধান ৩-১ করেন মুনকি আক্তারের। ৭৯ মিনিটে শান্তি মার্ডি নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে বাংলাদেশকে ৪-১ গোলে এগিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত অপরাজিত। টানা তিন ম্যাচ জেতা বাংলাদেশের পয়েন্ট এখন ৯। শ্রীলংকাকে ৯-১ গোলে ভাসিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ নেপালকে হারিয়েছিল ৩-২ গোলে। আজ জয় এলো ৪-১ ব্যবধানে।

সারাবাংলা/এসএইচএস