Thursday 27 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঋতু বদলে সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে ৩ পানীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৭ আগস্ট ২০২৬ ১৯:১২

ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টায় আবহাওয়ার তারতম্য ও অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ঘরে ঘরে বাড়ছে সর্দি-কাশি, গলাব্যথা ও শারীরিক ক্লান্তি। এ ধরনের শারীরিক অস্বস্তি দূর করে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কিছু ঘরোয়া পানীয় বেশ দারুণ কাজ করে। তবে এগুলো সাময়িক আরামদায়ক ভেষজ উপশম মাত্র, কোনো চিকিৎসাসংক্রান্ত ওষুধের সরাসরি বিকল্প নয়। শারীরিক জটিলতা কিংবা তীব্র জ্বর থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আসুন জেনে নেই, ঋতু পরিবর্তনে সর্দি-কাশিতে আরাম মিলবে এমন কিছু পানীয়’র রেসিপি…

সকালের সতেজতায় তুলসী-আমলকির জুস

দিনের সূচনাতেই শরীরকে চাঙ্গা রাখতে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই পানীয় পান করতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

উপকরণ: ৪-৬টি তুলসীপাতা (চাইলে কয়েকটি পুদিনাপাতাও দিতে পারেন), ½টি আমলকি (বা ১ চা-চামচ লেবুর রস), ১ টুকরো আদা বা কাঁচা হলুদ, ১ চিমটি বিট লবণ এবং ১.৫ কাপ পানি বা ডাবের পানি।

প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন।

পরামর্শ: সকালে খালি পেটে খাওয়া ভালো, তবে অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে হালকা খাবারের পর পান করুন।

সন্ধ্যার উষ্ণতায় হলুদ-মরিচ দুধ

সন্ধ্যায় গলার অস্বস্তি দূর করতে এবং শরীরে উষ্ণতা আনতে এই পানীয়টি দারুণ কাজ করে।

উপকরণ: ১ গ্লাস গরম দুধ, সামান্য গ্রেট করা কাঁচা হলুদ, ১ চিমটি দারুচিনি গুঁড়ো এবং ১ চিমটি গোলমরিচ গুঁড়ো।

প্রস্তুত প্রণালী: গরম দুধে হলুদ, দারুচিনি ও গোলমরিচ ভালোভাবে মিশিয়ে হালকা উষ্ণ অবস্থায় চুমুক দিয়ে পান করুন।

পরামর্শ: যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা দুধ হজমে সমস্যা আছে, তারা এটি এড়িয়ে চলুন।

ঝটপট আরামের জন্য আদা-হলুদ আইস কিউব টি

গলা খুসখুস কমানোর জন্য এই পানীয়টি আগে থেকেই তৈরি করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

উপকরণ: কাঁচা আদা, কাঁচা হলুদ ও সামান্য গোটা গোলমরিচ।

প্রস্তুত প্রণালী: উপকরণগুলো একসাথে পেস্ট করে আইস ট্রেতে ঢেলে ফ্রিজারে জমিয়ে কিউব বানিয়ে রাখুন।

সেবন পদ্ধতি: গলায় অস্বস্তি হলে একটি কাপে বরফের কিউবটি নিয়ে ওপর থেকে গরম পানি ঢেলে দিন। পানি কুসুম গরম হলে ধীরে ধীরে পান করুন। দিনে ২-৩ বার খাওয়া যেতে পারে।

সুস্থতার জন্য শুধু পানীয়ই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্যগ্রহণ এবং বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে বা গলায় অতিরিক্ত যন্ত্রণা থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।