Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫০ | আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০২

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ন্যায্য ও নিয়মিত পদোন্নতির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক-সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থবির থাকায় কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা, বৈষম্য ও পেশাগত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

শনিবার (৩১ জানুয়া‌রি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে বক্তারা এসব দা‌বি জানান।

গত ১৪ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা একটি স্মারকের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতি কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ওই স্মারকে সুপার নিউমারারি পদোন্নতি আত্মীকরণ বা সমন্বয় না করা পর্যন্ত কোনো নিয়মিত পদোন্নতি না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

তারা বলেন, স্মারক জারির পরদিন ১৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো সুপার নিউমারারি পদোন্নতি সমন্বয় করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে প্রতিবেদন পাঠালেও এখন পর্যন্ত নিয়মিত পদোন্নতির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, সুপার নিউমারারি পদোন্নতির সঙ্গে নিয়মিত পদোন্নতির কোনো সাংঘর্ষিক সম্পর্ক বা আইনগত বাধা নেই। দেশের অন্যান্য সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সুপার নিউমারারি পদোন্নতি বিদ্যমান থাকলেও নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ রাখা হয়নি। কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে ‘সমন্বয়’-এর অজুহাতে পদোন্নতি স্থগিত রাখা বৈষম্যমূলক ও অগ্রহণযোগ্য বলে তারা মন্তব্য করেন।

কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট বছরের শূন্য পদের ভিত্তিতে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ তারিখ ধরে প্রতিটি ব্যাংকের নিজস্ব পদোন্নতি নীতিমালা অনুযায়ী দিতে হবে। ২০২৫ সালের কোনো নীতিমালা বা নির্দেশনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের পদোন্নতির অধিকার হরণ করা আইনসম্মত নয় বলেও দাবি করা হয়।

তারা আরও বলেন, নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর সুপার নিউমারারি পদোন্নতি তিন ধাপে আত্মীকরণ বা সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ কাট-অফ তারিখ ধরে দ্বিতীয় দফা নিয়মিত পদোন্নতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। প্রতিটি পদোন্নতি ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা।

মানববন্ধনে ‘রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের কর্মচারীদের পদোন্নতি নীতিমালা–২০২৫’-এর কয়েকটি ধারা কর্মকর্তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। এসব ধারা সংশোধন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আদলে একটি ন্যায্য, বাস্তবসম্মত ও বৈষম্যহীন পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান তারা। নতুন নীতিমালা ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয় এবং কোনো অবস্থাতেই ব্যাকডেটে কার্যকর না করার আহ্বান জানানো হয়।

মানববন্ধনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো. মোতাহের হোসেন। এ সময় রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এসএ/এএ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর