ঢাকা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য ও পদায়নের মাধ্যমে অবৈধ আয়ের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। নিয়োগ, বদলি ও সরকারি কেনাকাটায় সিন্ডিকেটভিত্তিক অনিয়মের অনুসন্ধানে দুদক উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সংস্থাটি।’
এই অনুসন্ধানে আসিফ মাহমুদ ছাড়াও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, ‘উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার মন্ত্রণালয়ের বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতির ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি করেছেন। এ ছাড়াও অভিযুক্তরা ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা এবং পদোন্নতিপূর্বক পছন্দের জায়গায় পদায়ন করার জন্য সর্বমোট দুই কোটি টাকার দুর্নীতি করার অভিযোগ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুব উন্নয়নের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ, ইব্রাহিম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নাকিম উদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই, ঢাকা) ও আলী হোসেন (নরসিংদী)-কে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট চক্র দ্বারা যুব উন্নয়নের সবধরণের টেন্ডারবাজি, কেনাকাটাসহ দুর্নীতিলব্ধ অর্থ দিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপনে দুর্নীতির মহোৎসব চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে।’